Tuesday, December 19, 2006

ঠিকানা

সোজা পথ যেখানেই বাঁকা হওয়া শুরু করেছিলো
যেখানে আকাশ এসে শিমুলের লাল ছুঁয়েছিলো
সেখানে দাঁড়িয়ে যদি তোমার ঐ চোখ ডানে ফেলে
তোমার ভুরুর বাঁকে এসে ফের ডাইনে তাকালে
তোমার ঊরুর মতো দ্বিধাভরা পথ দুইদিকে
চলে গেছে, সেই মোড়ে দাঁড়ালে ক্রোশেক তার থেকে
যেখানে বিকেলে আলো তোমার ঠোঁটের রং নিয়ে
সাজে, সেই পথে ধরো নাক বরাবর চলে গিয়ে
তোমার বুকের মতো ভারি আর গম্ভীর মেঘে
সেখানে দিগন্ত আছে পথের শেষের সাথে লেগে
চলার পথেই নামে তোমার চুলের মতো রাত
তোমার হাসির মতো জ্যোছনার অভিসম্পাত
তোমারই নাভির মতো ছোট্ট অগভীর সরোবরে
পদ্ম ফোটা, তার পাশে চলে গেলে পথটুকু ধরে
পথের পাশেই পড়বে আমার এ সামান্য ঠিকানা
সব তুমি চেনো, জানো, বলো, তুমি তবু আসবে না?

Thursday, November 23, 2006

বোকাদের পদ্য: গোল গোল পথ



কী ঝামেলা, এ শহর, এই দেশ, এ পৃথিবী
ঘুরে ফিরে গোল গোল গোল
ক্রিস্তোবাল কোলনের মতো, দ্যাখো, আমিও চলেছি
আমি আর আমার এই অভিযাত্রী মনের
জাহাজ
ট্র্যাফিক জ্যামের ঢেউয়ে আকাশে ধোঁয়ার কারুকাজ
বাতাস লাগায় দোল
ধোঁয়া চিরে তোমাকে দেখেছি৷
কেন তুমি এ শহরে, এই দেশে, এ পৃথিবীতে থাকো
আমার পাশেই এসে গাড়ির নোঙর ফেলে রাখো?
তোমাকে দেখেছি বহু, তবু আজ এই গোল পথ
তোমাকে বানালো, আমি-নাবিকের উদ্দিষ্ট সৈকত৷

Friday, September 22, 2006

বোকাদের পদ্য : বিলবোর্ড

কখনো ভাবিনি,
আমার আকাশ ঢেকে দেবে
মাগধী সুন্দরীর
রহস্যগোলা হাসি
(আর এখানেই, আবারও, বাংলা ভাষা নেচে ওঠে দ্ব্যর্থকতায়, রহস্য
গুলিয়ে গুলিয়ে একেবারে গোলা ছোঁড়া হাসি, কিন্তু ওভাবে বললে কবিতা মার খেয়ে যায়)
যা বলছিলাম, মাগধী সুন্দরীর রহস্যগোলা হাসি
গান্ধারী যুবতীর ভারি বুকের ভর
শুষে নিতে থাকে দিগন্তের রেশ
চোল রাজার মন্দিরে ঢেউ তোলা দক্ষিণী রমণীর
নিতম্বসঙ্কটের সামনে থমকে পড়ে নক্ষত্রের ঘুরপাক
আর আমি কাঠবাঙাল শুধু কাঠ দেখি
দেখি তক্তা, অ্যালুমিনিয়াম
দেখি রং আর করুগেটেড শীট
দেখি বিলবোর্ড
বিলবোর্ড বিলবোর্ডে আমার নরম, লাজুক, ছায়ালো ঢাকা শহরের দিগন্ত রূপোপজীবিনীর শিসমহল
হয়ে আকাশে ছায়া ফেলে যায়
... আর ফেলে যায়
... ... আর ফেলে যায় ...


Monday, September 11, 2006

জলের কবিতা


ভেজার ইচ্ছে আমার খানিক ছিলো
খুকিই তাকে উসকে অনেক দিলো
আলতো হেসে আমার পাশে এসে
জলের ধারা নিজের গায়ে নিলো।

আকাশ তখন ভার করেছে মুখ-ই
খুকি তবু তাকে দেখেই সুখী
বাজের আলোর তাল মিলিয়ে হেসে
বৃষ্টি মাথায় বেড়ায় ছুটে খুকি।

তেপান্তরের সেই গহীনে ঠায়
ভিজেই কাটে আমার বিকেল হায়
বাতাস কাঁপে মেঘের ধমক শুনে
খুকির হাসির দমক বেড়ে যায়।

মেঘদেবতার মুড ভালো নেই বুঝি
শিলের পাহাড় ছিলো কি তাঁর পুঁজি?
ভীষণ বেগে পড়তে থাকে তারা।
সেই তুফানে খুকিকে কই খুঁজি?

হাত বাড়িয়ে ধরতে তাকে গেলে
চমকে উঠে দেয় সে আমায় ঠেলে
আমরা দু'জন ছুটতে থাকি দূরে
পিপুল গাছ এক যেথায় বাহু মেলে।

গাছের নিচে ক্ষুণ্ন মনে বসে
খুকির চোখে অশ্রু পড়ে খসে
বেশ তো ছিলো জলের সাথে খেলা
বিগড়ে গেলো সবই ঝড়ের দোষে।

থামলো শেষে ঝড়ের মাতামাতি .. ..
হাওয়ার সাথে গাছের হাতাহাতি .. ..
তেপান্তরে শিলের ঝিকিমিকি .. ..
খুকি আমার সে উদ্ভাসের সাথী।

কিন্তু নিপাট সরল মনে
শুধিয়েছিলেম, "শিল কুড়াতে যাবে?"
ভাবলো কী তা কে বা জানে
মুখ ফেরালো ভীষণ অসদ্ভাবে।

.. .. শিলগুলো সব জল হয়েছে গলে
খুকিও গেছে নিজের পথে চলে
আমিই শুধু একলা ভেজা মনে
অশ্রু শিশির মেশাই মেঘের জলে।

(রচনাকাল : অক্টোবর ২০, ২০০৫)

Tuesday, September 05, 2006

নাম নেই


যুদ্ধ,
তুমি আমার দুয়ারে
পা রেখেছো বলে, দ্যাখো, যীশু তার বিদ্ধ হাত তুলে
আমার যন্ত্রণাকে বুকে নিয়ে হেসে ওঠে, আর
আমার প্রিয়ার চোখে বাসা বাঁধা সব ঘুঘু সীমান্তে মিছিল বোনে,
ফুলেরা কাঁটার ভিড়ে বিরলে হারায়,
আর আমার ভাইয়ের হাতে আয়ুরেখা মিথ্যে হয়ে যায়।

(রচনাকাল : জুন ১৪, ২০০৩)

বোকাদের পদ্য : বৃষ্টি এপ্রিলে


[উৎসর্গ : সু-কে]


হঠাৎ হাওয়ার সাথে শিল
আর জল, খিলখিল
আর অন্ধকার, দূরে ঘরে মোমবাতি জ্বলে
হুড়োহুড়ি
বারান্দায় শুকনো হবে, এই ভরসায় ঝোলা প্যান্ট
ধরে টানি
ঘরে আনি
অন্ধকার, বৃষ্টির এপ্রিল।

জানালা ... কপাট নেই, হড়কে তাকে বন্ধ করে ভাবি
কোন চাবি
যদি হারাই, তাহলে এই বৃষ্টির এপ্রিল
বন্দী করে রাখে যদি ধরে রেখে বর্ষণের খিল ...
অন্ধকার ঘরে কেউ মোম জ্বালে, গুটিক স্বজন
অস্ফূটে উল্লাস করে বৃষ্টি ছিলো বড় প্রয়োজন।

চৈত্রের উত্তাপে আগে ঘেমে নেয়ে সকলে অস্থির
বৃষ্টির এপ্রিল ... নাকি এপ্রিলে বৃষ্টি
তাতে জল ঢালে, জলের শরীর
নির্ভাষ প্রতিজ্ঞা করে,
এবার এপ্রিল শুধু বৃষ্টি আর বৃষ্টির উদ্যান
সে আশ্বাসে মোম গলে, মোম জ্বলে
অন্ধকার ভেঙে খান খান

দরজারও মুখে ভাসে বিষণ্নতা, বন্ধ কপাট
অন্ধকার ঘিরে রাখে, চারপাশে বৃষ্টির এপ্রিল
নাকি এপ্রিলের বৃষ্টি
তারা বেড়ে ওঠে, বাড়ে তিলতিল

কয়েকটি উৎফুল্ল স্বর আবারো উল্লাস করে, গায়
একা লাগে, এপ্রিলের বৃষ্টি শুধু একাকী লাগায়।

(রচনাকাল : এপ্রিল ০৫, ২০০৬)

বোকাদের পদ্য : আমাদের সে সময়


আমাদের সে সময়
নিরীহ ঘাসের বুকে দুরন্ত রোদের মতো
ঝলসায়
চোখে রাখে ঠোঁট।

মৌরি মেখে পোষ ঠিক মানিয়েছি বুনো কবুতর
তার নরম শরীরে হাত মিছিমিছি মুঠো হয়ে আসে
আমাদের সে সময় কবুতর,
আর তার বাধ্য গায়ে পালকের ঢেউ
বাতাসের সাথে দুলে হাতছানি দেয়,
আর ডাকে।

আমাদের সে সময়
যখন আমার চোখ তোমার বুকের রোদ্দুরে
যখন আমার হাত সে রোদের কবুতর ছুঁয়ে
মিছিমিছি মুঠো হয়ে আসে।

(রচনাকাল : ২১শে অগাস্ট, ২০০৩)

হাসিমুখ


ডিজিটাল
ম্যানুয়াল
যেরকম
যেভাবেই
হোক না
থাক না
হাসিমুখ
তোলা থাক

বত্রিশ-
খানি দাঁত
দেখা যাক
দেখা যাক
লাল মাড়ি
কালো মাড়ি
হাসিমুখ
ধরা থাক

জনে জনে
বাড়ি বাড়ি
গিয়ে কোন
কমিশন
আমাদের
হাসিমুখ
এভাবেই
তুলে নিক

হয়তো বা
আগামীতে
এ ছবির
মার্জিন
পেরোলেই
হাসিমুখ
দেখা হবে
দুষ্কর।

(রচনাকাল : জুলাই ১২, ২০০৬)

বোকাদের পদ্য : বৃষ্টিমগ্ন দিন


আবারও হয়তো কোন ভেজা দিনে ছোঁয়াছুঁয়ি হবে,
যতখানি শুন্যস্থান আমাদের মধ্যে টেনে আনি
পার হবো কিছু তার, তুমি --- নয়তো আমি, ঠিক জানি ---

তেমনই শেখায় বৃষ্টি, শ্রাবণের বৃষ্টিগ্রস্ত দিন
আর --- তেমন কঠিন
নয় এ প্রকৃতিক্লাস, শিক্ষণেও নেই কোন ভুল
দেখি রোজ মেঘমগ্ন জল ছোঁয় ঘাসের মাস্তুল।

(জুলাই ২২, ২০০৪)

আষাঢ়ের কবিতা


আষাঢ় আসুক,
তার চলে আসা রোধের অতীত
কদম্বে আপত্তি নেই, কিন্তু ভারি জল জমে যায়
কাদারা থিতিয়ে গেলে হাঁটা পথে আরশিতে দেখি
আমারই আষাঢ়ে মুখে আকাশের মেঘের সঙ্গীত।

কোকিল নিথর আজ, ব্যাঙেদের মুশায়রা ক্ষীণ
আকাশ গম্ভীর তবু সবুজ সবুজতর লাগে
বারান্দার মুখোমুখি ছাদে দুটি সতেজ বালিকা
আষাঢ়কে ঋদ্ধ করে তারাই --- বর্ষণে ব্রীড়াহীন।

মেঘদূত! --- ভেসে যায়, তার দৌত্যে আস্থা কারো নেই ---
আমার চুম্বন তুমি দিও এই মেয়ে দুটিকেই।

(জুন, ২০০৪)

Sunday, September 03, 2006

অনুবাদ : মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতা


(মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতার অনুবাদ পড়েছিলাম সংবাদপত্রের সাহিত্যিকীতে। পাস্তুরের গবেষণাগারের দ্বাররক্ষককে ঘিরে লেখা তাঁর একটি চমৎকার কবিতা আমার কবিতাচিন্তাকে পালেট দিয়েছিলো বেশ খানিকটা। পরবর্তীতে কয়েকটি কবিতার ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাংলায় রূপান্তরের কথা ভেবেছিলাম। কবিতার অনুবাদ দুরূহ ব্যাপার, মূল চেক থেকে ইংরেজিতে একবার ভোল পালেট আসার পর মূল কবিতার রস কিছুটা হলেও নষ্ট হয়, হয়তো নতুন রস যোগ হয়। সেই ইংরেজি কবিতার বাংলা অনুবাদ করার চেষ্টা করিনি, বক্তব্য ঠিক রেখে আমার মতো করে বলতে চেয়েছি শুধু। কাজেই এ ঠিক যথাযথ অনুবাদও নয়।)


১.
যাও
এগিয়ে জানালাটা খোলো
হয়তো কারো মুখ,
কিংবা একটা কুকুর
অন্ধকার;
অথবা হঠাৎ এক ঝলক গন্ধ
জানালাটা খোলো
হয়তো কিছুই নেই
সেখানে
শুন্যতাই আছে শুধু
তবুও যাও
জানালাটা খোলো
একটা শ্বাস অন্তত
বুক ভরে নাও।

(অনুবাদকাল : ফেব্রুআরি ০২, ২০০৫)


২.
শিশুদের
পাঠশালে
চশমার ওপাশ থেকে তরুণী শিক্ষিকা জানতে চান, হিমু কে ছিলো?

শিশুদের মাঝে শুধু বিস্ময়ের বিনিময় হয়, তাই তো, কী এই হিমু?
সে কি কোন
রং, নাকি পার্বণের আড়ঙে কোন খড়ের পুতুল, না কি কোন অবাক রঙের মজার খাবার ...
ভেবে পায় না বাচ্চাগুলো।

কিন্তু এক কোণা থেকে ক্ষুদে এক বিচ্ছু সব ফাঁস
করে দেয়,
সবাই জানতে পায়, পাড়ার বুড়ো কসাইটার একটা কুকুর ছিলো, হিমু তার নাম
বুড়ো তাকে ধরে মারতো
এক বছর হয়ে গেলো, কুকুরটা মারা গেছে খেতে না পেয়ে ...

শিশুদের পাঠশালে ছায়া নামে
আর বাচ্চাগুলোর মন খারাপ হয় হিমুর কথা ভেবে।

(অনুবাদকাল : জানুয়ারি ৩০, ২০০৫)


বোকাদের পদ্য : পাখিরা মানুষ নয়


পাখিগুলো অমানুষ।
তারা ওড়ে, বাসা বাঁধে,
ডিম পাড়ে ছানা ফোটে,
ছানাদের পোকা জোটে
ঠিক ঠিক

তারা সব রোদে পোড়ে, জলে ভেজে
গান গায়, শিস দেয়, হাউকাউ করে যায়।
জলে বা আকাশে তারা রঙ ঢালে,
রোদ এসে তাদের পালকে
ঠিক ঠিক ঠিকরায়। রোজ, রোজ, রোজ রোজ।

মানুষেরা পাখি ধরে .. ..
ফাঁদে ফেলে, গুলি ছুঁড়ে, ইদানীং বিষ দিয়ে।
মানুষেরা পাখি মারে, মেরে কাটে, কেটে খায়
মানুষেরা পাখি ভেবে মানুষের হাড় ভাঙে, গলা কাটে, কেটে রেখে চলে যায়।

রোজ।
রোজ।

পাখিরা মানুষ নয়।
ভাগ্যিস .. .. পাখিরা .. .. মানুষ নয়।

(রচনাকাল : ১৭ই মে, ২০০৪)

তোমাকে লেখা চিঠি : ০১



আমার জন্যে একটি বিকেল একটু সাজো
ঠিক যেমনটা সাজতে জানে আমার আকাশ
খানিকটা রঙ, খানিকটা মেঘ এদিক ওদিক ---
যেমন সজ্জা তোমার মাঝে পাইনি আজও।

আকাশ যেমন মেঘের তুলোয় শরীর ঢাকে
তেমনি আবার রোদের ছটায় শরীর রাঙায়
লুকিয়ে কি লাভ মিষ্টি নরম অনন্ত নীল,
লুকিয়ে কি লাভ গহীন কোমল শুন্যতাকে?

আমার জন্যে আকাশ হয়ে মেঘের কাজল
পারবে তুমি দুচোখ ভরে রাখতে কাছে?
পারবে চোখে একই সাথে
জল ও ঝিলিক
লুকিয়ে রেখে ... মিলিয়ে দিতে দ্বিধার পাজল?

আজকে নাহয় মেঘের রঙে শরীর ঢাকো
আজকে আনো বৃষ্টি চোখে, বিজলি ঠোঁটে
নাহয় একটু বইবে হাওয়া তোমার নীলে ---
আজকে আমার আকাশ হয়ে সঙ্গে থাকো।



(রচনাকাল : অগাস্ট ১৯, ২০০৩)

বোকাদের পদ্য : অভিমানিনী


মৃত্যু,
অভিমানী বালিকা প্রেয়সী
অমন নরম হাতে কচি হাঁটু শক্ত বেঁধে বসে,
খোলা চুলে মুখ ঢাকো, কান্না তবু ঠেলে আসে ঠিকই
তোমার আদুর পিঠ তারই ভারে কেঁপে ওঠে, কোমল সরসী ---


যতো যাই --- যতো চাই, ভালোবেসে কাঁধ ছুঁয়ে বলি
আর মাত্র ক'টা দিন কেটে গেলে তোমার সাথেই
হাত ধরে ছুটোছুটি, বাগানোর ফুল চুরি খেলা ...
অফুরন্ত সঙ্গ দেবো এত অল্পে অভিমানীকেই।

বালিকা শোনেনা কথা, বাহুমূলে মুখ গুঁজে রাখে
তাকে ফাঁকি দিয়ে কেন জীবনের সঙ্গে উঠি বসি?


(রচনাকাল : জুন ০৪, ২০০৪)

Get Ready for Bangla Unicode


Well, first of all you'd have to make sure that you can read the Bangla Unicode characters (which will be here throughout the journey).

Try to read the following sentence:



আমি এই বাক্যটি পড়তে পারছি। মুহাহাহাহা ... আইতাছি, খাড়া!





Can you read it? If yes, you're ready to proceed. If not, carry out the following instructions. I'm assuming that you're using WINDOWS XP [SERVICE PACK 2].

  • Step 01:
    Download the latest version of Internet Explorer(IE6+) or Firefox browser(Firefox 2.0)

  • Step 02:
    Download Unicode Bangla Fonts from the web and install them on your operating system; quite a few of these fonts are freely available.
  • Step 03:
    Go to control panel -> Regional and Language Options -> Language, and check the "Install files for complex scripts and right-to-left languages" option. You will need your Windows XP SP2 installer CD to install these new files. In case you don't see this CD around, download this file and install it [1].



  • Step 04:
    Install Bangla support on your browsers:
    On Internet Explorer 6: Go to Tools -> Internet Options -> General -> Languages, and add Bengali as a language.






    On Firefox 2.0: Go to Tools -> Options -> Advanced -> General -> Edit Languages..., and add Bengali as a language.





  • Step 05:
    Go to your browser's "view" menu and set the "character encoding" or "encoding" feature to: Unicode (UTF-8).



  • Step 06:
    If you want to change to a favorite Bangla Unicode font for your webpages:
    For Internet Explorer 6: Go to Tools-->Internet options-->Fonts, choose Bengali from the Language Script pulldown menu and select from one of the available Bangla fonts in your system.





    For Firefox 2.0: Go to Tools -> Options -> Content tab -> Fonts and Colors ... Advanced Button. In the pop up window titled "Fonts", select Bengali from the "Fonts for:" pulldown Menu and set a Bengali font of your choice for various kinds of fields like Serif, Sans Serif, Monospace, etc. to be shown on webpages.





  • Step 07:
    If you want to write something in Bangla Unicode compliant environment, my suggestion is to download the Avro Keyboard. A portable version of Avro is also available.

  • Come back again to check if you could read that test sentence.


To convert your document to Unicode from a number of popular formats, e.g. Bijoy, a great online tool is available, developped by S. M. Mahbub Murshed and Ahmed Arup Kamal.


Enter the Bangla Blogosphere, and Enjoy!


বাংলা ব্লগোমন্ডলে আপনি সাদরে আমন্ত্রিত। ধন্যবাদ।





[1] Thanks to Haseeb Mahmud for further nuance.

Sunday, June 04, 2006

বোকাদের পদ্য : বুকে হাত রাখা


স্বপ্ন,
নাকি জেগেই ছিলাম
নাকি ও দুটোর কোনটাই নয়
আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি
হ্যাঁ, তোমার কবোষ্ণ বুকেই হাত রেখে বলতে পারি
খুল যা সিম সিম বলে হা রে রে রে আমার দিকে তেড়ে এলো একের পর এক ছেঁড়া কাঁথায় মোড়া লাখটাকাগন্ধী
কাগজের বান্ডিল বান্ডিলের কাগজ
কে যে কার বুঝে উঠতে না উঠতেই আবার দশদিক কাঁপিয়ে চিৎকার ওঠে খুল যা সিম সিম
আমি দেখি আমার অস্থিপঞ্জর আলিবাবার গুহার দরজার মতো হুটহাট খুলে যায়
দল বেঁধে ঈভের কাঠামোর মতো নেচে বেড়ায় তারা চারপাশে
আর আমি হাড়হারা হয়ে তৈমুর লঙের মতো ছটফটিয়ে ছুটে ফিরি কাগজের বান্ডিলের পিছু পিছু

স্বপ্ন?

নাকি জেগেই ছিলাম?

নাকি ও দু'টোর কোনটাই নয়?
নাকি দু'টোই সত্যি ছিলো?

এই দ্বিধা আর দ্বৈরথে পড়ে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়
শেষ পর্যন্ত তোমার বুকে হাত রাখাই সত্যি আর সত্যি হয়ে থাকে।



Friday, April 14, 2006

মধুবৈশাখী



উত্তরের অন্ধকার, সকলেই ঝড় বলে তাকে
শনাক্ত করেছে, আর কালবৈশাখী নাম ধরে ডাকে
বিভ্রান্ত মানুষগুলো জানেনি তো এ আন্ধারী ঝড়
এ সন্ধ্যায় আমাদের ব্যক্তিগত একান্ত ঈশ্বর৷

ছাদের পানির ট্যাঙ্কে থরথর লোহার সোপান
বজ্রের ধমকে যত অট্টালিকা ভয়ে কম্পমান
আমিই উদ্বাহু নাচি, অট্টহাস্যে বলি আয় আয়
নিজেকে করেছি বলি, তুই ছাড়া আমাকে কে খায়?

হাতের মুদ্রায় তোর বায়বীয় প্রতিমাকে গড়ি
নৈবেদ্য চেটে যা এসে একচক্ষু ঈশ্বরসুন্দরী
বজ্র হাওয়া জল তোর যা যা আছে সঙ্গে নিয়ে এসে
আলিঙ্গন হয়ে যাক নিঃশর্ত উদ্দাম ভালোবেসে৷

তোকেই হেনেছি প্রেম, বায়ুস্রোত, হে নির্মাণখাকি
পুড়িয়ে উড়িয়ে নিয়ে যা আমায়, মধুবৈশাখী!


Friday, March 17, 2006

বোকাদের পদ্য : ক্রিসমাসের নাটক


প্রত্যেক ক্রিসমাসে স্কুলে নাটক হতো
তুমি অবধারিতভাবে রাজকন্যার গুলগুল্লা রোল পেয়ে যেতে
নীরব সন্তুষ্টিতে তোমার গালে বেগুনি আঁচ লাগতো,
আমি দেখতাম আমার ভুরুর আড়াল থেকে।

আমাকে সবাই বলতো নিয়ান্ডার্টাল হিমু
নাটকের স্যার মৃদু হেসে বলতেন, কোয়াসিমোদো ...
আমি তখনও জানতাম না ... নোতরদামের কুঁজো তো পড়বো স্কুল ছেড়ে যাবার পর, নইলে তখনই আঁচড়ে খামচে উঠে পড়তাম স্কুলের পাশের পুরানো চার্চটা বেয়ে।

স্কুলের নাটক একেক বছর একেকটা,
কিন্তু সবই লিখতেন নাটকের স্যার
সেখানে রাজকন্যা আর কুৎসিত ক্রীতদাস থাকবেই
কারণ তুমি পড়তে সে স্কুলে
আর আমিও পড়তাম
আমরা নাটক ভালোবাসতাম, দু'জনেই ...।

আমি সেই ছোট্ট তোমাকে নতজানু হয়ে কুর্ণিশ করেছি,
যখন আমি সেই ছোট্ট আমি ছিলাম
হাঁটু গেড়ে বসে কতবার রাজকন্যার জুতোর ফিতে বেঁধেছি আমি ক্রীতদাস
আমার হাতে বর্ষাতি আর টুপি সঁপে দিয়ে কত ভিনদেশি রাজপুত্র তোমার পদ্মকোরকের মতো নরম হাত নিজের মুঠোয় নিয়েছে এক এক বছর
আমি সেই টুপিবর্ষাতির ভুলে যাওয়া ন্যাপথলিনের গন্ধ নতুন করে ফিরে পেয়ে চমকে দাঁড়িয়ে থেকেছি

কত নাটক করলাম আমরা দু'জন
কত মারপিট, অস্ত্রের হ্রেষাধ্বনি
মঞ্চে গড়াগড়ি দিলো কত সুপুরুষ স্কুলপড়ুয়া
আর তুমি জড়িয়ে ধরলে আরো সুপুরুষ কতো স্কুলপড়ুয়াকে
আমি ক্রীতদাস ছেঁড়া পাজামার হাঁটু ময়লা করে চিনে নিলাম তোমার প্রতি বছরের নাটকের জুতোর ফিতাবিন্যাস
রাজপুত্রদের বর্ষাতির বল্লরী
আর, নিথর দাঁড়িয়ে থেকে, মঞ্চে, তোমাকে।

সামনে ক্রিসমাস আসছে, রাজকন্যা
আমি, নিয়ান্ডার্টাল হিমু, নাটকের স্যারের কোয়াসিমোদো
এবার সটান মাথা উঁচিয়ে বলবো আমার ভাঙা গলায়,
স্যার আমি আর নাটক করবো না।




Sunday, March 12, 2006

বোকাদের পদ্য : ফোন



... ফোনের এপাশে আমি ঘুমিয়ে পড়তাম
তুমি তবু কিছুক্ষণ, নামিয়ে রাখার আগে
আমার শ্বাসের শব্দ শুনে যেতে, পরে বলেছিলে ...
আমার শ্বাসের শব্দে তোমার বুকের তালা একটা একটা করে খুলে যেতো
অচেনা লটারি অঙ্ক একটা একটা করে মিলে যেতো
তারাগুলো উল্কা হয়ে খসে পড়তো, আর মনে হতো,
শিল পড়ে, সুপুরির গাছগুলো দুলছে বাতাসে

গতকাল হঠাৎ হাওয়ায় গাছ দুলেছিলো,
আর শিল পড়া শব্দ তুলে দূরে গান বেজে উঠেছিলো
অনিচ্ছাসত্ত্বেও
আমি তালা খুলে খানিকটা শ্বাস ফেললাম ...



Saturday, March 11, 2006

বোকাদের পদ্য: প্রতিশ্রুতি


[যথারীতি পুরনো কবিতা, ফেব্রুআরি ০২, ২০০৫ এ প্রকাশিত, মঙ্গার দিনে মরাইয়ের তলা থেকে বার করে আনা ধানের মতো৷ কী করবো, লিখতে পারছি না৷ কার কাছে ক্ষমা চাইবো? প্রতিশ্রুতাদের কাছেই চেয়ে নিই৷]


হিমু বিপ্লবের স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে
ভোরের বাতাস আর তারাদের সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো
একদিন সে ঠিক ঠিক বিপ্লব করে সূর্যের নিচে পৃথিবীটাকে পাল্টে দেবে
কিন্তু সে স্বপ্নই দেখতো কেবল, বিপ্লব আর তার করা হয়ে ওঠেনি
কারণ সে ঘুমোতে ভালোবাসে
আর তাই একদিন ভোরে তাকে বিপ্লব না করার অপরাধে জেলে ঢুকতে হয়৷

হিমু জেলে ঢোকার আগেই কারাবাস নিয়ে বিস্তর কবিতা লিখেছে
সেগুলো আদৌ কবিতা নয়, পেনসিল বুলিয়ে সে কবিতার খাতাকে প্রতিশ্রুতি দেয়
একদিন কারাবাসের সব যন্ত্রণা সে কাগজে সঁপে দেবে, এইসব হাবিজাবি .. ..
জেলে ঢুকে কিন্তু সে হাতের কাছে কাগজ বা পেনসিল পায় না
আমরা তাকে দেখি, জানালা থেকে দূরে বসে সে তাকিয়ে
সেই এক চিলতে ঘরের জানালায় একমুঠো আকাশের দিকে তাকিয়ে সে শ্বাস নেয়
আর তাকে সঙ্গ দেয় এক মুঠো রোদ, এক মুঠো রাত, এক মুঠো মেঘ .. ..
সেই মুঠো মুঠো বান্ধবের কাছে সে প্রতিশ্রুতি দেয় .. .. আমরা শুনি .. ..
জেল থেকে বেরিয়ে সে আকাশটাকে একটু তাকিয়ে দেখবে,
খেলা করবে রোদ, অন্ধকার আর বৃষ্টির সাথে৷

তার এই অঙ্গীকারের ফিসফিস বাতাসে কি একটু বেশিই ছড়িয়ে যায়?
কর্তৃপক্ষ এই কথা শুনে হেসে খুন
তারা বলে, 'দাও ব্যাটাকে ছেড়ে৷'
হিমু তার কারাকক্ষের বন্ধুদের ছেড়ে অনেকের ভিড়ে বেরিয়ে আসে৷

আমরা তার দেখা পাই কিছুদিন পর
ভেবেছিলাম এদ্দিন জেল খেটে বোধহয় শুধরেছে ব্যাটা
হয়তো সত্যি সত্যি সে সময় দিচ্ছে তার একমুঠো রোদের বন্ধু আকাশজোড়া রোদ,
একমুঠো রাতের সঙ্গী আকাশজোড়া রাত আর একমুঠো মেঘের স্যাঙাত্‍ একগুচ্ছ মেঘকে
কিন্তু আমরা তাকে খুঁজে পাই তার ঘরে
ঘুমোচ্ছে সে
তার বিছানার পাশে রাখা কয়েক টুকরো নুড়ি আর সুড়কি
আমরা বুঝতে পারি, সেই পাথর আর মাটির টুকরোর কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে হিমু
একদিন অনেক বড় এক কারাগার গড়ে তুলবে সে .. .. ৷


Thursday, March 09, 2006

বোকাদের পদ্য: মেঘের কবিতা


[পুরনো কবিতা, এপ্রিল ১৮, ২০০৫ এ প্রকাশিত৷ মন ভালো নেই৷]


.. .. যতই আপন ভাবো, মেঘেরা নিজের মতো চলে
এক মেঘ কোনদিন দু'বার ঢাকে না আমাদের
পাড়ের রূপোলি রেখা ধরে ধরে মিছিমিছি খুঁজে
চেনা কি যাবে সে মেঘ, যে শুধু বৃষ্টির কথা বলে?


হাওয়াকে যায় না ছোঁয়া, মেঘেরা আয়ত্ব থেকে দূর
কিন্তু তারা একে অন্যকে ছুঁয়ে নিঃসঙ্গতা মোছে
আমিও বাতাস হয়ে তোমাকে ভাসাবো বলে ছুটি
তুমিও মেঘের মতো, কিংবা কোন বিষন্ন কর্পূর .. ..৷


আমি ছোঁবো, এই ভয়ে জল হয়ে ভেঙে পড়ো যদি
এমনই আশঙ্কা থেকে পিছু হটে দূর থেকে দেখি
আকাশে মেঘেরা চলে, হাওয়ার খেয়ালে যেন আঁকা
শুন্যে কোন কাশবন চিরে যাওয়া অকারণ নদী৷


যতই আপন ভাবি, তোমার রূপোলি পাড় হাসে
আমি দেখি .. .. তুমি-মেঘ অন্য হাওয়া ছুঁয়ে ছুঁয়ে ভাসে৷


Tuesday, March 07, 2006

নস্টালজিয়া



নস্টালজিয়া আমাকে দ্যায় না অবসর
ব্যস্ততায় দুঃখযোনি স্মৃতি এসে বেদম খ্যাদায়
আমাকেই
দীর্ঘ পথ দীর্ঘতর দুশ্চিন্তার জরায়ুর
নাম ভূমিকায়
অভিনয় করে, করে যায়,
তবু হাঁটি
কত দিন রাত সেজে পার হলো? কতটা বছর?
নস্টালজিয়ার দাঁতনখে বন্দী পলকা অবসর৷


Wednesday, March 01, 2006

বোকাদের পদ্য : আক্ষেপ



কাকের উড্ডাল ধরে এগোলেও অযুতেক ক্রোশ
দূরে আছি
তবু
ভাবি, এখনো শরীরজলে ডুবে
সঞ্চিত নিশ্বাস ফেলি মুখ রেখে স্তনের বিষুবে
একবার, বারবার .. ..
ঘ্রাণ নিই নিপাট সন্তোষে৷
আমার আক্ষেপ ছোঁয়া দিয়ে
যায় অযুতেক ক্রোশে৷



Tuesday, February 28, 2006

নিকপদ্য ০১

(পূর্ব প্রকাশিত, নিকপদ্য নামে, এমএসএন মেসেঞ্জারে মাঝে মাঝে নিক হিসেবে কয়েক লাইনের পদ্য লিখতাম, সেগুলোর একটি৷)

প্রেমের কোরিদা, ভালোবাসা ষাঁড়
আমি মাতাদর মানবো না হার
ঝরুক রক্ত, জেনো সেনিয়োরিতা .. ..
আমার হৃদয় গোলাপ তোমার৷


Sunday, February 12, 2006

বাসন্তী কবিতা


এখানে বাসন্তী রোদ
বাসন্তী হাওয়ার পিঠে ভেসে
আমাকে জানায়
বড় উচ্চকিত স্বরে, দ্যাখো বসন্ত বাহিরে।

বসন্তরঙিন আলো পথে পথে মানুষের চোখে
আকাশে ঘুড়িরা হাসে, মাটিতে চুড়ির মেলা ঠেলে
বসন্তে রঙিন সব মানুষেরা ভাসে,
আর মেখে নেয়,
এ শরীরে,
বসন্তের আলো, তার প্রতিশ্রুত বিরল আশ্বাস

আমাদের পানশালা, বসন্ত প্রথম দিনে,
আলোতে রঙেতে গলে পৃথিবীর সাথে মিশে যায়।



Sunday, February 05, 2006

বোকাদের পদ্য : পুরনো কবিতা


আমি ঠিক জানি আমি হঠাত্‍ এমনি কোন দিন
কোন মোড় ঘুরতেই তোমাকে সামনে পেয়ে যাবো
কী কথা ফুটবে মুখে, সংশয়ে কিভাবে তাকাবো
আমি ঠিক জানি, সেটা ভেবে পাওয়া অনেক কঠিন


তবে আমি জানি, আমি প্রথম যেদিন মুখোমুখি
তোমাকে সামনে পেয়ে নাম ধরে অমলিন স্বরে
ডেকেছি, ছুঁয়েছি শুধু তোমার নরম হাত ধরে
সেভাবে ডাকবো জানি, সে হাসিই মুখে দেবে উঁকি


আমি ঠিক জানি না তো, তুমি কি আগের মতো হেসে
ঘড়িতে দেখাবে ... আমি পথে বড় দেরি করে ফেলা
বেচারা প্রেমিক? আর তুমিও কি সেই শেষ বেলা
হাঁটবে আমার সাথে, আমাকে ভীষণ ভালোবেসে?



(নভেম্বর ১৫, ২০০৫ এ প্রকাশিত৷ নতুন কবিতা লিখতে ক্লান্তি লাগছে, পুরোনো কিছু কবিতা পোস্ট করছি৷)


Sunday, January 29, 2006

এলোমেলো


আমাদের বুড়ো অর্থমন্ত্রী,
এক বিকেলে উদাস হয়ে আকাশের দিকে চেয়ে
বললেন মৃদু, মৃদু স্বরে
"আন্তর্জাতিক বাজারো আখাশের দাম বাড়তো ফারে!"

কাছেই ছিলো এক দুষ্টু সাংবাদিক
দুম করে ব্যাটা ছেপে বসে পেপারে, আকাশের দাম বাড়বে!

অমনি দ্যাখো কোত্থেকে কয়েকটা লোক এসে কী সব করে
আকাশের ডিপো থেকে রাশি রাশি শুক্লপক্ষের আকাশ কিনে এনে মজুদ করে রাখে
দেখতে দেখতে আমাদের এ শহরে জ্যোৎস্নার দাম বেড়ে যায়

গাঁয়েগঞ্জে আরো বাড়ে,
কৃষ্ণপক্ষ মাস জুড়ে থাকে
শহুরে বেড়ালগুলো চাঁদের অভাবে বড় মৌন মেরে ঘোরে
উত্তরবঙ্গের প্যাঁচা মহানন্দে হুমহুম সুরে
গান গেয়ে চলে,
মাসভর

ভয় লাগে, অর্থমন্ত্রী সামনে বাজেটে যদি ফের
আবার বাড়ান দাম ফুটফুটে রূপা-আকাশের?

চারদিকে নখ, আকাশেও ঐ সরু চাঁদের নখর
সস্তায় আমাদের ছিঁড়ে ছিঁড়ে ফ্যালে, যদি ফ্যালে?