Sunday, September 03, 2006

অনুবাদ : মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতা


(মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতার অনুবাদ পড়েছিলাম সংবাদপত্রের সাহিত্যিকীতে। পাস্তুরের গবেষণাগারের দ্বাররক্ষককে ঘিরে লেখা তাঁর একটি চমৎকার কবিতা আমার কবিতাচিন্তাকে পালেট দিয়েছিলো বেশ খানিকটা। পরবর্তীতে কয়েকটি কবিতার ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাংলায় রূপান্তরের কথা ভেবেছিলাম। কবিতার অনুবাদ দুরূহ ব্যাপার, মূল চেক থেকে ইংরেজিতে একবার ভোল পালেট আসার পর মূল কবিতার রস কিছুটা হলেও নষ্ট হয়, হয়তো নতুন রস যোগ হয়। সেই ইংরেজি কবিতার বাংলা অনুবাদ করার চেষ্টা করিনি, বক্তব্য ঠিক রেখে আমার মতো করে বলতে চেয়েছি শুধু। কাজেই এ ঠিক যথাযথ অনুবাদও নয়।)


১.
যাও
এগিয়ে জানালাটা খোলো
হয়তো কারো মুখ,
কিংবা একটা কুকুর
অন্ধকার;
অথবা হঠাৎ এক ঝলক গন্ধ
জানালাটা খোলো
হয়তো কিছুই নেই
সেখানে
শুন্যতাই আছে শুধু
তবুও যাও
জানালাটা খোলো
একটা শ্বাস অন্তত
বুক ভরে নাও।

(অনুবাদকাল : ফেব্রুআরি ০২, ২০০৫)


২.
শিশুদের
পাঠশালে
চশমার ওপাশ থেকে তরুণী শিক্ষিকা জানতে চান, হিমু কে ছিলো?

শিশুদের মাঝে শুধু বিস্ময়ের বিনিময় হয়, তাই তো, কী এই হিমু?
সে কি কোন
রং, নাকি পার্বণের আড়ঙে কোন খড়ের পুতুল, না কি কোন অবাক রঙের মজার খাবার ...
ভেবে পায় না বাচ্চাগুলো।

কিন্তু এক কোণা থেকে ক্ষুদে এক বিচ্ছু সব ফাঁস
করে দেয়,
সবাই জানতে পায়, পাড়ার বুড়ো কসাইটার একটা কুকুর ছিলো, হিমু তার নাম
বুড়ো তাকে ধরে মারতো
এক বছর হয়ে গেলো, কুকুরটা মারা গেছে খেতে না পেয়ে ...

শিশুদের পাঠশালে ছায়া নামে
আর বাচ্চাগুলোর মন খারাপ হয় হিমুর কথা ভেবে।

(অনুবাদকাল : জানুয়ারি ৩০, ২০০৫)


No comments: