Sunday, September 23, 2007

বোকাদের পদ্য ০৩৭

জানি পর পর তিনটা কবিতা খুব বেশি হয়ে যায় কবিদের জন্য
আর পাঠকরাও কবিতা বাদ দিয়ে পাঠ করে অন্য যে কিছু, রাশিচক্র হাসিচক্র দাসীচক্র

কিন্তু এ কথা গরম ভাতে ধোঁয়া ওঠা সত্যি, আজ
সক্কালে কেমন যেন কামার্ত ছিলাম
পথ চলতে চলতে আমি মনে মনে পথের সাথেই
রতি পরিকল্পনা করি, তাতে মগ্ন হয়ে
বিজয় সরণি এসে আর
পারি না, ভাসানী নভোথিয়েটারে গুল্লু গুল্লু গম্বুজ
নিঃসঙ্গ স্তনের মতো ভেসে ওঠে
আমি তাতে আরোহণপূর্বক দন্তস্ফূট হাসিরাশি
ফোটাবে ভেবেছি
আর ভেবে ভেবে সরণিবিস্তৃত ঐ জলরাশিকেই
সরোবর ধরে নিয়ে তড়বড় করে নেমে গেছি ঐ
বোকাসোকাধোঁকাচোদা সিয়েনজি বাহন থেকে

কিন্তু ঐ ভাসানীই গুবলেট করে দেয়
খুব লেট করে দেয় আমাকেই
ড়্যাংস ভবনের ঐ ফোকলা মুখ ভাসানীর মুখ হয়ে
বিষণ্ন সামন্ত হয়ে ধমকায়
কেন আমি তার নামে
নাম রাখা নভোথিয়েটারস্তনে কামড়াতে চাই?


[]

Sunday, May 20, 2007

শুধুশুধু


[কিঞ্চিৎ শ্লীল পোস্ট।]

কবিতাকে ভালোবাসি
তাকে হাতে নিয়ে পড়তে চাই বলে
কবিতা আমার গালে চড় মেরে বাড়ি গেলো চলে।

আর একদিন ভাবলাম
কবিতাকে হাতে নিয়ে লিখি
কবিতা আমার গালে চড় মেরে বাড়ি গেলো ঠিকই।

তাই পণ করিয়াছি
আর কোন পড়া লেখা নয়
কবিতাকে বাগে পেলে একেবারে ছেপেটেপে দেবো নিশ্চয়!


Tuesday, May 01, 2007

কৈশোরের পদ্য আবার



বুক ভেঙে যায়
বুক ভেঙে যায় ... কেমন সহজ তাকিয়ে থেকে
না বলেছো
না বলেছো ...

বুক ভেঙে যায়।
ভাঙা বুকের
টুকরো থেকে
গড়িয়ে পড়ে সেসব কথা
সেসব কথা ... কল্পনাতে
বুকের মধ্যে
যা বলেছো
যা বলেছো।


Friday, April 27, 2007

কৈশোরের পদ্য



আগুন দেখে জল ভাবলে তুমি
অমন আঙুল ডুবিয়ে দিলে শিখায়?

তোমার মতন বালিকাদের আগুন-জলের তফাৎ কে যে শেখায়!*




* ১৯৯৮ এর শুরুতে লেখা। আমার ঐ সময়ের কবিতাগুলো হারিয়ে গেছে। এটা স্মরণে ছিলো।